Sun Sun Sun Sun Sun
English
এম হেলাল’র পরিচিতি
লেখক, সাংবাদিক, গবেষক ও সমাজ সংস্কারক
ড. এম হেলাল একজন স্পষ্টভাষী, নির্ভীক সাংবাদিক ও সমাজ সংগঠক; মানবতা-সততা-ন্যায়বিচার এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমৃদ্ধি সম্পর্কে যার রয়েছে ব্যতিক্রমী চিন্তা-চেতনা, অসাধারণ জ্ঞান ও দূরদৃষ্টি। তিনি বহুমুখী মহৎ কর্মকান্ডের উদ্যোক্তা ও পরিচালক। হতাশাগ্রস্ত ছাত্র-যুবক, ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ও পশ্চাৎপদ জাতিকে প্রোএকটিভ এন্ড পজিটিভ এটিচিউডে জাগ্রত ও আন্দোলিত করার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। মানুষের চিন্তাশক্তির উন্নয়ন ও উজ্জীবনে এবং জাতি জাগরণে বিভিন্ন কর্মসূচি, যেমনঃ ফ্রি প্রোগ্রাম অন প্রোএকটিভ এন্ড পজিটিভ এটিচিউড, ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিং, ইংলিশ এন্ড স্মার্টনেস কোর্স ফর লিডারশিপ, ফ্রি জয়েন্ট মেডিটেশন, ফ্রি ইয়োগা, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, সমাজ সচেতনতা কর্মসূচি ইত্যাকার সেবামূলক কার্যক্রম তারই মহৎ চিন্তায় সূচিত এবং দীর্ঘদিন থেকে নিয়মিত পরিচালিত। He is dedicated to transform pessimism into optimism এবং এভাবেই যুবমনকে প্রজ্জ্বলিত করে উন্নততর মানুষ গড়ে তুলতে জনাব হেলাল সন্দীপন কর্মীর ভূমিকায় নিবেদিত হয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশ ও জাতিকে ঘিরে এম হেলাল’র রয়েছে সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও পরিকল্পনা। তার সে লক্ষ্যভিসারী কল্যাণ-চিন্তার প্রোজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ হলো-
ক) শিক্ষাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও সহজলভ্য করার প্রয়াসে তার প্রণীত মডেল ‘এলাকাভিত্তিক স্কুলিং’। এ মডেল বাস্তবায়িত হলে দুর্বিষহ যানজট, অর্থ-শ্রম ও সময়ের অপচয়, মৌলিক শিক্ষায় ত্রুটি, ড্রপ আউট, শ্রেণিবৈষম্যসহ জাতীয় বহু সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে অনায়াসে।
খ) ‘জাতীয় সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধানঃ ইউনিয়নভিত্তিক উন্নয়ন মডেল’, যাতে প্রতিফলিত হয়েছে বাংলাদেশের বৈপ্লবিক উন্নয়নের বিজ্ঞানসম্মত ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। এতে ইউনিয়ন শহর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুউন্নত বাংলাদেশ গড়ার এক যুগান্তকারী রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে দেশ ও জাতির কাছে।
গ) শিক্ষাক্ষেত্রে মানোন্নয়নের প্রতিযোগিতা সৃষ্টির মাধ্যমে ঘুণে ধরা বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তিনি প্রবর্তন করেছেন ‘ক্যাম্পাস শিক্ষা পুরস্কার’। তার বিশ্বাস- দক্ষ ও অনুকরণীয় এবং আদর্শ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তাদেরকে অনুপ্রাণিত ও পুরস্কৃত করলে অন্যরাও উদ্বুদ্ধ হয়ে মানসম্মত শিক্ষার প্রচলনে এগিয়ে আসবে।
ঘ) অসৎ ও নীতিহীনদেরকে কোণঠাসা করে পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবনে সততা ও ন্যায়-নিষ্ঠার চর্চা উদ্দীপিত করতে এম হেলাল’র উদ্যোগ ‘সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কার্যক্রম’। সৎ ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করলে তারা যেমনি উৎসাহী হবেন, তেমনি অন্যরাও সৎ হতে অনুপ্রাণিত হবেন; সৎ ও ন্যায়-নিষ্ঠদের মাথা উঁচু করে দিলে অসৎরা লজ্জিত ও নিন্দিত হবে -দুর্নীতি ও অসততারোধের এ ধারণা থেকেই তিনি চালু করেছেন সততা পুরস্কার কর্মসূচি।
ঙ) সমাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি ডিজিটাল সোসাইটির স্বপ্ন দেখেন এবং এর দ্রুত বাস্তবায়নে ছাত্র-যুবকদের সম্পৃক্ত করতে চালু করেন ‘ডিজিটাল ইয়াং-স্টার’কর্মসূচি

ব্যক্তি, সমাজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নিয়মিত কলাম লেখক এম হেলাল। বিদেশ ভ্রমণে তার পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার ব্যতিক্রমী উপস্থাপন বহু পাঠকের চিন্তায় উদ্দীপনা যুগিয়েছে। ‘নতুন বিশ্বের সন্ধানেঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব অধ্যয়ন’ শীর্ষক তার নিয়মিত কলামে সাহসী ও সাবলীল ভাষায় বর্ণিত হয়েছে স্বদেশ ও বিদেশের তুলনামূলক বিশ্লেষণধর্মী নানা অজানা কথা। দেশকে বা দেশের মানুষকে ছোট না করে অকপটে স্বজাতির দোষ-ত্রুটি চিহ্নিত করে এসব থেকে উত্তরণের নানামুখী দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। নিজ দেশের সামাজিক ক্ষতকে তিনি আড়াল করতে চাননি, বরং তা উন্মোচিত করেছেন এ উৎকন্ঠায় যে- এসব ক্ষত উপশমের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ক্ষত বা সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধানে বাস্তব দিক নির্দেশনা পাওয়া। সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, আত্ম উন্নয়ন ও প্রোএকটিভ এটিচিউড সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তিনি নিয়মিত কলাম লেখেন, যুবসভা এবং ওয়ার্কশপ করেন; যার মাধ্যমে হতাশা ও অবক্ষয়ের ব্যূহ ভেদ করে সমাজে তৈরি হচ্ছে উন্নততর মানুষ।

এম হেলাল শিক্ষা ও যুব উন্নয়নের ওপর বাংলাদেশের একমাত্র পত্রিকা ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’-এর প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, যা ১৯৮৪ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত বহুমুখী সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি)-এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। উপকূলীয় আঞ্চলিক উন্নয়নের ওপর প্রকাশিত পত্রিকা লক্ষ্মীপুর বার্তা’র প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ও প্রকাশক তিনি; ‘আঞ্চলিক উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন’ -এ লক্ষ্যে ১৯৮৬ সাল থেকে এ পত্রিকা প্রকাশ করে আসছেন। এম হেলাল বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও কর্মসূচির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি ১৮টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলা একাডেমী, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট’স এসোসিয়েশন, নজরুল একাডেমী, সলিমুল্লাহ হল এলামনাই এসোসিয়েশন, একাউন্টিং এলামনাই ইত্যাকার সংগঠনের আজীবন সদস্য এবং বাংলাদেশ স্টুডেন্ট্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা।

এম হেলাল ১৯৬১ সালে লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেড়ে উঠেছেন ছায়াঘেরা শান্ত গ্রামে, সোঁদা মাটির গন্ধ গায়ে মেখে। কাছ থেকে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন ক্ষুধিত মানুষের হাহাকার; জোতদার-মহাজনের নির্মম শোষণে জর্জরিত ও নিষ্পেষিত মানুষের নীরব কান্না; প্রাকৃতিক বা মনুষ্য-সৃষ্ট দুর্যোগ ও দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষের আর্তি এবং অনুরূপ আর্তিরোধে কমিউনিস্ট রাজনীতির সক্রিয়তা-নিষ্ক্রিয়তা।

শিশু হেলাল ছিলেন সমবয়সী অন্যদের চেয়ে আলাদা। ছেলেবেলা থেকেই তিনি ছিলেন কঠোর পরিশ্রমী এবং জীবন ও সাফল্য সম্পর্কে দৃঢ় ইতিবাচক মনোভাবের। তিনি নিজ বুদ্ধি, কৌশল ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পতিত আঙ্গিনা থেকেও তুলে আনতেন ফসল। মৃতপ্রায় বৃক্ষের দীর্ঘ পরিচর্যা শেষে তাতে ফল উৎপাদনের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন সে অল্প বয়সেই, নিজস্ব সৃজনশীল প্রক্রিয়ায়। সেসব ফলদ বৃক্ষ হেলাল’র সাফল্যের স্বাক্ষর হিসেবে এখনও পড়শীদের রসনা তৃপ্ত করছে। স্কুলের নিয়মিত ও মেধাবী ছাত্র হয়েও হেলাল পারিবারিক কৃষিজমিতে কর্মরত শ্রমিকদের সাথে যোগ দিতেন উৎসাহভরে; স্ব-উদ্যোগে উৎপাদিত ফলমূল, শাকসব্জি মাথায় নিয়ে হাট-বাজারে বিক্রি করতেও কুন্ঠাবোধ করতেন না। এভাবে শিশুকাল থেকেই হেলাল সঞ্চয় করেছেন বাধা-বিপত্তি অতিক্রমণের মাধ্যমে সম্মুখে এগিয়ে যাবার দৃঢ় মনোবল ও বাস্তব অভিজ্ঞতা।

অবুঝ-সবুজ সে শিশু বয়স থেকেই এম হেলাল স্বপ্ন দেখেছেন সমাজ পরিবর্তনের। কিন্তু বৈরী বাস্তবতা তাকে থমকে দিয়েছে বার বার। তারপরও নানা প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেই তিনি সমাজের সংস্কার চেয়েছেন মনে-প্রাণে। লক্ষ্মীপুরে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করার পর তিনি দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং একাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে বি কম (সম্মান) ও এম কম ডিগ্রিলাভ করেন; পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল বি সম্পন্ন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নির্বাচিত নেতা হবার সুবাদে ছাত্রকল্যাণে বহুমুখী কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লিও ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারী। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এর সিনিয়র সার্জেন্ট ছিলেন। তিনি জুনিয়র মিলিটারী সায়েন্স এবং সিনিয়র মিলিটারী সায়েন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

এম হেলাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল (এস এম হল) ছাত্র-সংসদের সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ছিলেন। তিনি দু’বার এসএম হল এর বার্ষিক ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন। এরপর তিনি ছাত্রজীবনেই বাংলাদেশের শিক্ষাভিত্তিক প্রথম পত্রিকা ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’ প্রকাশের উদ্যোগ নেন। একই সাথে পরীক্ষায় নকল, মাদক, ধূমপান, ঘুষ-দুর্নীতি ও প্রচলিত ভিসা-পদ্ধতির বিরুদ্ধে, আইল ও দেয়াল প্রতিরোধে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং অদ্যাবধি সে আন্দোলন বেগবান করে চলেছেন। আলোকিত ও বিবেকবান নাগরিক গড়ার মাধ্যমে সমৃদ্ধ জাতি গঠন এম হেলাল’র লক্ষ্য। এ লক্ষ্যেই তিনি ছাত্র ও যুব উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন- দেশপ্রেমী, কল্যাণকামী ও প্রোএকটিভ চিন্তার দক্ষ যুবকরাই জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তি। জাতীয় পর্যায়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ছাড়া দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি সুদূর পরাহত। তাই বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে জনাব হেলাল জ্ঞানভিত্তিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কর্মযজ্ঞে নিবিষ্ট রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্র ও যুব নেতৃত্বে থেকে তিনি মানব কল্যাণের কথা ভেবেছেন প্রতিনিয়ত; তখন থেকেই সমাজকর্মে সংগঠিত করেছেন ছাত্র-যুবকদের; প্রাকৃতিক দুর্যোগ কবলিত মানুষের সেবায় সক্রিয় থেকেছেন সর্বদা। ছাত্রজীবনেই গভীর রাত অবধি হারিকেনের আলোয় নৌকাযোগে দুর্গম এলাকার বন্যার্তদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতেন ত্রাণসামগ্রী। এভাবেই তার চিন্তা ও মননে স্থান করে নিয়েছিল দারিদ্র্র্য বিমোচন এবং সকল মানুষের জন্য উন্নত ও অভিন্ন জীবন-দর্শন। সে চেতনার কারণেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স এবং মাস্টার্স করেও পঠিত বিষয়-সংশ্লিষ্ট সহজ ও লোভনীয় চাকরিতে সম্পৃক্ত না হয়ে এম হেলাল জীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন জাতি জাগরণ ও দেশ গঠনের দুঃসাধ্য কাজ। গণমানুষের জন্য কাজ করাকে তার কর্মের মূলধারা বা জীবনের ব্রত বলে মনে করেন।

স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গঠনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এম হেলাল প্রতিষ্ঠা করেন সিএসডিসি। তার চলার পথে এসেছে অনেক বাধা; কিন্তু হতাশ হননি, থেমে থাকেননি। দেশপ্রেমী ও সমাজ হিতৈষীদের ভালোবাসাকে পুঁজি করে অগ্রসর হয়েছেন তিনি। অব্যাহত সে অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা এবং ক্যাম্পাস সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) এখন শিক্ষা ও সমাজ সেবামূলক কর্মযজ্ঞের পাশাপাশি সমাজ জাগরণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত। দল ও গোষ্ঠী নিরপেক্ষ পত্রিকা প্রকাশনার পাশাপাশি সৃজনশীল নানা কর্মসূচিতে বিস্তৃত হয়েছে ক্যাম্পাস’র কর্মপরিধি; সামাজিক ও মানবিক ভূমিকা হয়েছে প্রসারিত।

ক্যাম্পাস অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-যুবকসহ জনসাধারণ্যে ডায়নামিক কম্পিউটার ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছে; ফ্রি মেডিটেশন, ফ্রি ইয়োগা, ফ্রি আকুপ্রেশার এন্ড রিফ্লেক্সোলজি কর্মসূচি এবং নিয়মিত প্রোএকটিভ সেমিনারের মাধ্যমে উন্নততর ও শক্তিশালী মানুষ হতে তাদের উদ্বুদ্ধ করছে; তাছাড়া ফ্রি ইংলিশ কোর্সের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ছাত্র-যুবকদের প্রবেশের পথ সুগম করে দিয়েছে। ক্যাম্পাস’র অন্যান্য ব্যতিক্রমী কার্যক্রম হচ্ছে- ছাত্রদের জন্য শিক্ষানবিশ কর্মসূচি (জ্ঞানার্জনের অবসরে অর্থ উপার্জন; নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধি), ক্যাম্পাস সততা পুরস্কার ও সততা জাগরণী কার্যক্রম, ক্যাম্পাস হেলথ সার্ভিস, স্টুডেন্ট্স কাউন্সেলিং ইত্যাদি। ক্যাম্পাস’র সমাজ জাগরণমূলক কর্মসূচিসমূহ জনগণকে মানবতাবাদ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে।

জনাব হেলাল ইউকে, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালী, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, সৌদি আরব, ইউএই, কাতার এবং ভারত সফর করেন। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা বহুবার ভ্রমণ করে মানুষ, প্রকৃতি ও পল্লীজীবন ঘনিষ্ঠভাবে অধ্যয়নের সুযোগলাভ করেছেন তিনি। তথ্য ও সাংবাদিকতায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং অনবদ্য অবদানের জন্য এম হেলাল ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ সরকারের এক্রেডিটেশন কার্ড লাভ করেন এবং বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন। মানুষ ও জীবন সম্পর্কে উচ্চ আশাবাদী এম হেলাল একজন সৃজনশীল, দেশপ্রেমী এবং কঠোর পরিশ্রমী মানুষ। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত জাতি গড়ার তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি নিরন্তর নিবেদিত। গণতন্ত্রায়ন, ন্যায়-নীতির চর্চা, গণমানুষের অধিকার, ছাত্র-যুবকদের প্রতিভার বিকাশ এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীর সঞ্চারে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন এবং সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার করছেন। সমাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ন্যায় ও কল্যাণকর সমাজ প্রতিষ্ঠাই তার অভীষ্ঠ লক্ষ্য।

এম হেলাল এর অভিমত বা উদ্ধৃতিসমূহের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিম্নরূপ-